‘নির্বাচনকে বিতর্কিত করতেই ৩০০ আসনে ৮০০ মনোনয়ন বিএনপির’

Spread the love

অনলাইন ডেস্ক :

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনে অযোগ্য জেনেই খালেদা জিয়ার মতো অসংখ্য অপরাধীকে বিএনপি মনোনয়ন দিয়েছে। ফলে নির্বাচন কমিশন তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে। এখন তারা নির্বাচন কমিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

তিনি বলেন, বিএনপি ৩০০ আসনে ৮০০ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে যা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে তারা এ কাজ করেছে।

বুধবার দুপুরে বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দিনাজপুর-২ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক যৌথ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, যখন রাজাকার-আলবদর আলশামসরা নির্বাচন করে, যখন স্বাধীন দেশে যুদ্ধাপরাধীরা নির্বাচন করে, যখন মুক্তিযোদ্ধাদের তাদের সঙ্গে নির্বাচন করতে হয় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকার কথা নয়। বিএনপি এই মাঠ নষ্ট করছে।

খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, জামায়াতের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা বিএনপি। তারা বিএনপির নামে জামায়াতকে, যুদ্ধাপরাধী ও আদালতের মাধ্যমে যাদের দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে তাদের পরিবারের সদস্যদের মনোনয়ন দিচ্ছে। নির্বাচন নির্বিঘ্ন করতে বাংলাদেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে অপরাধী ও তাদের পরিবারগুলোকে বাদ দেয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনের প্রতি দাবি জানান তিনি।

নির্বাচনের পরিবেশ না থাকলে সব দল কীভাবে মনোনয়ন নিতে গেল- এই প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, রিজভী দলীয় কার্যালয়কে নিজ বাড়ি বানিয়ে ফেলেছেন। আর মির্জা ফখরুল মিথ্যা কথা বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে গেছেন। শুধুমাত্র মিডিয়ার কল্যাণের কারণেই বিএনপি টিকে আছে, আর কোথাও বিএনপি নেই।

খালিদ মাহমুদ বলেন, বিএনপি অপরাধীর দল। তারা দলীয় গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছে যাতে করে অপরাধীরা তাদের দলে থাকতে পারে। আগামী ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই ধরনের দলকে চিরতরে নির্মূল করা হবে। নয়তো এমন একটা সময় আসবে যখন বিএনপি বলবে, জামায়াত বাংলাদেশকে স্বাধীনতা দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে যাদের ধরা হচ্ছে তারা অপরাধী। আর অপরাধীদের ধরা গণগ্রেফতার নয়। আওয়ামী লীগ সেই দল যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত নয়, বরং অভিযোগ আসার সঙ্গে সঙ্গেই রানা ও বদিকে মনোনয়ন দেয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর ইতিবাচক মনোভাবের কারণে ৭৫টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

খালিদ মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির বল প্রধানমন্ত্রীর কাছে, ৭৫টি দলের রাজনীতিক নেতা শেখ হাসিনা। তিনি ইচ্ছা করলেই ফাঁকা মাঠে গোল দিতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা করেননি। এতেই প্রমাণিত হয়, সংলাপ সফল হয়েছে।

বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুল লতিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে জেলা আওয়মী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইমাম চৌধুরী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুকুজ্জামান চৌধুরী মাইকেল, বিরল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একেএম মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, বিরল পৌরসভার মেয়র সবুজার সিদ্দিকী সাগর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রমাকান্ত রায় প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

© 2018, BD News Point. All rights reserved.

Related posts

Leave a Comment